ডিজাইন: ইমেজ চালু
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

বাবা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি, ছেলে হলো বিয়ে করার আয়নার কারিগর


নিজস্ব প্রতিবেদন ,সময়ের সাথে প্রতিদিন 


রবিউল ইসলাম একজন প্রতারক তার নামে একাধিক  কয়েকটি মামলা রয়েছে মোঃ রবিউল ইসলাম পিতা মোঃ পিয়ারুল ইসলাম মাতাঃহাফেজা বেগম, গ্রামঃ ধাতুয়া কান্দা  ডাকঘরঃ ধাতুয়াকান্দা ,উপজেলা বকশীগঞ্জ,
জেলা জামালপুর মোছাঃ রোজিয়া খাতুন ( ২৭) পিতা মোঃ রেজাউল করিম স্বামী মোঃ রবিউল ইসলাম সাং নতুন বাশকান্দা  পোস্ট,  ভাটিয়াপাড়া,থানাঃবকশীগঞ্জ, জেলা জামালপুর। রেজিয়া খাতুন কে কিছুদিন আগে বিয়ে করেছে এর আগেও প্রতারক রবিউল ইসলাম তিন থেকে চারটি বিয়ে করেছে । মোছাঃ রোজিয়া খাতুনের স্বামী  আসামী,১/মোঃ রবিউল ইসলাম (৩০)পিতা মোঃ জিয়ারুল হক ওরফে পিয়ারুল ইসলাম  ২/জিয়ারুল হক ওরফে পিয়ারুল ইসলাম  (৫৫)পিতা মৃত মুসলিম শেখ। ৩/মোছাঃ হাফেজা বেগম( ৫০)স্বামী মোঃ জিয়াউল হক  ওরফে পিয়ারুল ইসলাম । ৪ মোঃইমরান( ২৭) ৫/মোঃ আরমান ( ২৩)উভয় পিতা মোঃ জিয়াউল হক ওরফে পিয়ারুল ইসলাম ।  সর্ব স্বায়ী সাং মালিরচর,জিগাতলী পোস্ট, ঘোষপাড়া, থানাঃবকশিগঞ্জ জেলা জামালপুর।  বর্তমান ঠিকানা মধ্য ধাবুয়াকান্দা  পোস্ট, ধাবুয়াকান্দা, উপজেলা বকশীগঞ্জ জেলা জামালপুর। 


প্রতারক রবিউল একজন নেশাখোর চরিত্রহিন ও লোভী, এবং  তার পরিবারও লোভী, রবিউলের বাবা মোং পিয়ারুল ইসলাম, বকশিগন্জ্ঞ থানার, সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় এলাকায় অনেক দাপট, যার কারনে, পিয়ারুল ইসলাম তার  তিন ছেলেকে দিয়েই ভিবিন্ন অপকর্ম করায়, ভিন্ন ভিন্ন মেয়েদের সাথে বিয়ে করিয়ে, তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে, তাদের মারধর করে বাচ্চা সহ বাড়ি থেকে বের করে দেয়,এবার রুজিনা খাতুনের সাথে  তাই হয়েছে, রুজিনা খাতুন কে মারধর করে তার সর্ন অলংকার নিয়ে, তাকে তার বাচ্চা সহ এক বস্রে বাড়ি থেকে বের করে  দিয়েছে, তাই  জামালপুর জেলা কোটে  মোছাঃ রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে  একটি মামলা  করেন মামলা চলমান রয়েছে। 


২০০০ সালে নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী২০০৩)এর ১১(গ)/৩০ধারা মামলা চলমান রয়েছে
এবং( ১) নং আাসামি,মোঃ রবিউলের নামে ওয়ারেন্ট হয়েছে, কিন্তু তাকে এখনো গ্রেপতার করেনি পুলিশ,১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় যে ৯টি কারণে একজন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারেন। ক. আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ রয়েছে কিংবা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রয়েছে। খ. আইনসংগত কারণ ব্যতীত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার কোনো সরঞ্জাম রয়েছে এমন ব্যক্তি।

গ. অত্র কার্যবিধি কিংবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে। ঘ. চোরাইমাল যার কাছে পাওয়া যায়। ঙ. পুলিশ কর্মকর্তার কাজে বাধাদানকারী; হেফাজত হতে পলায়নকারী বা পলায়নের চেষ্টাকারী ব্যক্তি। চ. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী। ছ. দেশের ভিতর যে সব কাজ শাস্তিযোগ্য দেশের বাহিরে করা হয়েছে তেমন কাজ। জ. কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি যে অত্র কার্যবিধির  ৫৬৫ (৩)  উপধারা লঙ্ঘন করেছে। ঝ. গ্রেফতারের জন্য পুলিশের কাছ থেকে অনুরোধ পত্র আছে। এই ৯টি ক্ষেত্রে পুলিশকে বিপুল ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। সেখানে কেন আওয়ামী লীগ এর ইউনিয়নের সভাপতি ছেলেকে আজ পর্যন্ত আটক করতে পারেনা পুলিশ।

অভিযুক্ত আসামি রবিউল ইসলামের বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ লীগের সভাপতি এই কারণেই কি পুলিশ তাকে ধরতে পারেনা।কারন রবিউলের বাবা মোঃ পিয়ারুল ইসলাম আওআমী লীগের সভাপতি, রুজিনা খাতুন এখনো ন্যায় বিচার পাচ্ছে না,তাই বাদী মোছাঃরোজিনা খাতুন এর এলাকায়, সর  জমিনে গিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক মিডিয়া সাংবাদিকদের তদন্ত  সাপেক্ষে দেখা যাচ্ছে রবিউল এবং তার পরিবার সহ চরম প্রতারক, এর আগেও রবিউল কয়েকটি বিয়ে করেছে।  প্রতারক রবিউলের স্ত্রী মোছাঃরোজিনা খাতুন ও এলাকাবাসী সহ তার আসামি রবিউল এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।