ডিজাইন: ইমেজ চালু
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

কিছু দুষ্কৃতিকারী অযথা ভূয়া নিউজ করে মানুষকে হয়রানি করে


স্টাফ রিপোর্টার সাদ্দাম হোসেন 

সময়ের সাথে প্রতিদিন।

 

 দেশসেরা কোনো নিউজ মিডিয়া এরকম সস্তা নিউজ করবে না। কারন কোনো প্রতিষ্ঠানের এরকম একজন টপ ক্যাটাগরির অফিসারের (গ্রেড-২) নামে নিউজ করতে হলে তাদেরকে নিউজ সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ জমা দিতে হয়। এর মত মিডিয়া ৫০০/১০০০ টাকা বিকাশ করলেই নিউজ করে দেয়। তাছাড়া এরা ঠিকাদারি কাজের জন্য অফিসারদের ব্ল্যাকমেইল করে। কিন্তু মাহাবুব স্যারকে ব্ল্যাকমেইল করার কোনো ডকুমেন্ট তাদের কাছে নাই। তাই তারা সুবিধা নিতে পারছে না। এর আগেও প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের নামে সাফাই গেয়ে নিউজ করছে তারা। অথচ প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের বস হলো এডিজি/আরএস।তারমানে কি দাঁড়ায়! শিষ্য ভালো কিন্তু গুরু খারাপ?রেল কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের ৫% কমিশনের ভিডিও দেখিয়ে কত ছেছড়া রিপোর্টার টাকা খাইসে। ঠিকাদারি নিসে। অথচ হাসান সৈকত যদি নিউজ না করতো তাহলে এটাও চাপা পড়ে যাইতো। এই হলো আপনাদের নীতিনৈতিকতা। সৈকতকেও অফার করা হইসে।মাহাবুব স্যারকে রেলের সবাই চিনে। যে কজন সৎ কর্মকর্তা আছে তাদের মধ্যে তিনি একজন। তাই এ ধরনের কানকথার নিউজ দিয়ে হাসির পাত্র হয়েন না। আর কানাডা থেকে কানকথা যারা বলে তাদের চরিত্রও সবাই জানে। প্রয়োজনে সেসব খলনায়কদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে। হীন স্বার্থে রেলকে এরা অস্থিতিশীল করে রাখছে ৯৭ লাখ টাকা জালিয়াতির কথা মনে আছে তো নিজেদের সর্বস্তরের জনগণের মন্তব্য এ সমস্ত অফিসার বাংলাদেশের প্রত্যেকটা সরকারি দপ্তরে বিদ্যমান। মাহাবুব স্যার আর দশ জন অফিসার এর চেয়ে ভালো মনের মানুষ। উনি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না সাংবাদিকদের কেও অযথা টাকা না দেওয়ায় উনার বিরুদ্ধে এসব মন্তব্য করে।